একাট আজব ঘটনা যা দেখলে চোখ কপালে উঠবে আপনার | A Strange Incident




আজব ঘটনা গ্রাম পাহারায় মানুষের শুটকি!

প্রাচীনকাল থেকেই পৃথিবীতে অনেক ধরনের আজব ঘটনা দেখা গেছে এবং আজব সব রিতিনীতিও, আজকে তেমনই একটা আজব ঘটনার কথা বলবো যা দেখলে চোখ কপালে উঠবে আপনার। পাপুয়া নিউগিনির মোরোবে গ্রামে প্রচলন রয়েছে মানুষের শুটকির।  সারা বিশ্বে যেখানে মাছ মাংসের শুঁটকি দেয়া হয় সেখানে মোরোবে গ্রাম পাহারায় দেয়া হয় আস্ত মানুষের শুঁটকি!

মানুষের শুটকি তৈরির ক্ষেত্রে মোরোবে গ্রামের আঙ্গা জনগোষ্ঠির ভূমিকাই মূখ্য। তবে স্বস্তির ব্যাপার হচ্ছে, এই শুটকি খাওয়ার জন্য করা হয় না। জুজু নামে পরিচিত মানুষের এই শুটকি গ্রামে ঢোকার পথে সাজিয়ে রাখার জন্যই তৈরি করা হয়।

আঙ্গা জনগোষ্ঠির প্রাচীন বিশ্বাস শুটকি করে রাখা এই মৃত মানুষেরা বিপদ থেকে তাদেরকে রক্ষা করবে এবং একই সাথে গ্রামও পাহারাও দিবে। আর সবশেষে মানুষের শুটকি দিয়ে গ্রামের শোভা বাড়ানোর একটা চেষ্টা তো রয়েছেই।

মোরোবে গ্রামে কেউ মারা গেলে মৃত মানুষটির শরীর থেকে সব চর্বি বের করে নেয়া হয়। এরপর মৃতদেহটিকে শুটকি করার সমস্ত প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করা হয় এবং একেবারে গ্রামের সামনে নিয়ে লম্বা বাঁশের তৈরি কোনো মঞ্চে সুন্দর করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। আর এসব মৃতদের দেহ থেকে বের করে আনা চর্বি ব্যবহার করা হয় রান্নাবান্নার কাজে!

পাপুয়া নিউগিনির সরকার ১৯৭৪ সালে এইভাবে মানুষ শুটকি দেয়ার প্রথাটি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। কিন্তু সরকারের কথা অমান্য করে এখনও এই নিয়ম মেনে চলেছে আঙ্গা জনগোষ্ঠি।

Connect With Us !

G+ : https://goo.gl/iK4DEh
Facebook : https://goo.gl/OfSG29
Twitter : https://goo.gl/XbZ2C9

ধন্যবাদ ভিডিওটি দেখার জন্য ।

ভিডিও টি যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তাহলে LIKE করুন, SHARE করুন ও COMMENT করে জানান, এবং নতুন নতুন ভিডিও পেতে অবস্যই SUBSCRIBE - https://youtube.com/CreativeStories করতে কিন্তু ভুলবেন না।

আপনি কি জানেন ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান সম্পর্কে না জানলে এখনই জেনে নিন | Hanging Gardens of Babylon




আমাদের আজকের বিষয় ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান বা ঝুলন্ত বাগান

আপনারা হয়ত অনেকেই জানে এই বাগান সম্পর্কে ।
ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান ইরাকের ইউফ্রেটিস নদীর তীরে ৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নির্মিত হয়েছিল। সম্রাট নেবুচাদনেজার সম্রাজ্ঞীর প্রেরণায় এই বাগান টি নির্মাণ করেছিলেন।

এই বাগানের জন্য প্রথমে নির্মাণ করা হয়েছিল বিশাল এক ভিত, যার আয়তন ছিল ৮০০ বর্গফুট।

ভিতটিকে স্থাপন করা হয়েছিল তৎকালীন সম্রাটের খাস উপাসনালয়ের সুবিস্তৃত ছাদে। 

এবং ভিত্তিটি স্থাপন করার পর মাটি থেকে এর উচ্চতা দাড়িয়েছিল ৮০ ফুট। এই ভিত্তির উপরেই নির্মিত হয়েছিল বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং বিস্ময়কর পুস্পবাগ। ৪০০০ শ্রমিক রাতদিন পরিশ্রম করে তৈরি করেছিল এই বাগান। এবং এই বাগান পরিচর্যার কাজে নিয়োজিত ছিল ১০৫০ জন মালী।

 ৫ থেকে ৬ হাজার প্রকার ফুলের চারা রোপণ করা হয়েছিল এই ঝুলন্ত বাগানে। ৮০ ফুট উচুতে অবস্থিত বাগানের সুউচ্চ ধাপগুলোতে নদী থেকে পানি উঠানো হত মোটা পেচানো নলের সাহায্যে। কিন্তু দূঃখের বিষয় এইেযে ৫১৪ খ্রিস্টাব্দে পার্শ্ববর্তী পারস্য রাজ্যের সাথে এক ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে এই সুন্দর উদ্যানটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়।

CONTENT SOURCE : https://en.wikipedia.org/wiki/Hanging_Gardens_of_Babylon

Connect With Us !

G+ : https://goo.gl/iK4DEh
Facebook : https://goo.gl/OfSG29
Twitter : https://goo.gl/XbZ2C9

ধন্যবাদ ভিডিওটি দেখার জন্য ।

ভিডিও টি যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তাহলে LIKE করুন, SHARE করুন ও COMMENT করে জানান, এবং নতুন নতুন ভিডিও পেতে অবস্যই SUBSCRIBE - https://youtube.com/CreativeStories করতে কিন্তু ভুলবেন না।

সত্যিই কি কলম্বাসের আগেই আমেরিকা আবিষ্কার হয়েছিল | America Has Been Discovered Before Columbus




আমরা এতদিন কি জানতাম ক্রিস্টোফার কলম্বাস-ই আমেরিকার আবিষ্কারক হিসেবে বিখ্যাত  । কিন্তু যদি বদলে যায় এই তথ্যটি, যে কলম্বাস আমেরিকার আবিষ্কারক নন, তাহলে আপনি কি এটা মেনে নিতে পারবেন ? উঃ টা অবস্যিই না । মেনে নিতে না পারলেও ঘটনাটি  কিন্তু সত্য। কারণ একটি নতুন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, কলম্বাসের প্রায় ২,৮০০ বছর আগেই আমেরিকা আবিষ্কার করেছিল চীন।

নিউ মেক্সিকোর এক বিজ্ঞানী জন রাসক্যাম্প এই গবেষণা করছেন। সম্প্রতি তিনি কিছু পাণ্ডুলিপি উদ্ধার করেছেন। এবং এই তথ্য টি সেখান থেকেই পাওয়া গিয়েছে । রাসক্যাম্পের দাবি, ১,৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আমেরিকায় এশিয়ার মানুষ বসবাস করত। আর কলম্বাস সেখানে যান ১৪৯২ তে। অর্থাৎ আমেরিকা আবিষ্কৃত প্রায় আরও ২,৮০০ বছর আগে। রাসক্যাম্প আরও জানিয়েছেন, চীনের এই পাণ্ডুলিপি এতই পুরনো যে তা ভুয়ো হওয়া অসম্ভব।
পাশাপাশি, আমেরিকার আলবা কোয়্যারের পাথরে খোদাই করা যে লিপি তিনি খুঁজে পেয়েছেন, তা প্রাচীনকালে চীনে ব্যবহৃত হত।

এবং ঐ গবেষক আরও দাবি করেছেন, ৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের হাতীর একটি পিক্টোগ্রাম পাওয়া গিয়েছে। যা থেকে তাঁর দাবি একসময় বহু এশীয় মানুষ ছিলেন আমেরিকায়।

Connect With Us !

G+ : https://goo.gl/iK4DEh
Facebook : https://goo.gl/OfSG29
Twitter : https://goo.gl/XbZ2C9

ধন্যবাদ ভিডিওটি দেখার জন্য ।

ভিডিও টি যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তাহলে LIKE করুন, SHARE করুন ও COMMENT করে জানান, এবং নতুন নতুন ভিডিও পেতে অবস্যই SUBSCRIBE - https://youtube.com/CreativeStories করতে কিন্তু ভুলবেন না।

রহস্যময় পৃথিবীর অত্যান্ত ভয়ংকর 5 টি শিকারি স্থান| Mysterious Worlds Very Dangerous 5 Haunted Places




সারা বিশ্বে এমন কিছু ঘটনা আছে যা শুনলে আপনারা হয়ত কখোনই বিশ্বাস করতে পারবেন না। বিশ্বাস করতে না পারারই কথা। কিন্তু বিশ্বাস করতে না পারলেও ঘটনা গুলো সত্য। আজকে তেমনই ৫ টি ভয়ংকর, রহস্যে ঘেরা  ও শিকারি স্থানসমূহের কথা বলব আপনাদের। তো চলুন শোনাজাক সেই সব স্থানসমূহের কথা, এ সব স্থান গুলোর মদ্ধ্যে একটি হল 

১. স্ক্রিমিং টানেল।


স্ক্রিমিং টানেলে ভ্রমণে যেয়ে কিছুক্ষণ এর সামনে দাড়িয়ে অপেক্ষা করুন। সে মুহূর্তে আপনি আপনার জীবনের সবচেয়ে আতঙ্কজনক মুহূর্ত অনুভব করবেন। যখন একটি যুবতী মেয়ের বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার শুনতে পাবেন। তার কান্নার আওয়াজ যেন আপনার মাথার পেছন থেকেই আসছে এরকম অনুভূতি হবে।

১৯৯০ সালে কৃষিজমি থেকে বাড়তি জল কমানোর জন্য এই টানেল নির্মাণ করা হয়েছিল। এটা বিশ্বাস করা হয় যে, একজন যুবতী মেয়ের গায়ে আগুন লেগে যাবার পর সে নিজেকে বাঁচানোর জন্য এই সুড়ঙ্গের মাঝে চলে যায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সে নিজেকে বাঁচাতে পারে নি।

তার গায়ে আগুন লাগার কারণ হিসেবে বিভিন্ন মতবাদও রয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন, তার ঘরে আগুন লাগার ফলে তার নিজের গায়েও আগুন লাগে যায়। আবার কেউ বলেন, সেই সুড়ঙ্গের মাঝে তাকে ধর্ষণ করে আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হয়, যার ফলে তার আত্মা আজও সেখানে ঘুরাঘুরি করছে। তখন থেকেই এই স্থানকে মানুষ অনেক ভয় পায় এবং এই স্থানের রহস্য দিনের পর দিন শুধু বাড়তেই থাকে।


 ২. আমিতিভিলা হাউস।


১৯৭৪ সালে কুখ্যাত দিফিউ হত্যাকান্ড এই বাড়িতে সংঘটিত হয়। রোনাল্ড এর জ্যেষ্ঠ পুত্র, নৃশংসভাবে এক রাতে তার পুরো পরিবারকে হত্যা করেন। সকালে এসে সেখানে দেখা যায় সকলের পিঠে গুলি করার দাগ এবং তাদের উপর নির্মম নির্যাতন করা হয়েছে। পরবর্তীতে পরিবারের বেঁচে থাকা একমাত্র ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেয়া হয়। সকলের ধারণা ছিল সেই ছেলের উপর খারাপ আত্মার ছায়া ছিল।

এই ঘটনার মাত্র ১৩ মাস পর আরেকটি পরিবার খুব কম দামে এই বাড়িটি ক্রয় করেন। এরপর তারা এখানে এসে বসবাস করা শুরু করেন। সবকিছু ভালোই চলছিল তাদের পরিবারে। কিন্তু কিছুদিন পর পরিবারের কর্তা আজব ব্যবহার শুরু করেন। তিনি ক্রমেই হিংস্র হয়ে উঠেন। তখন সকলে ধারণা করেন, এবার সেই খারাপ আত্মা তার মাঝে এসে পড়েছে।

একজন বিশেষজ্ঞকে সেখানে নিয়ে আসা হয়, সেই আত্মাকে তাড়ানোর জন্য, তিনি বলেন এই বাড়িতে এসেই একটি আওয়াজ শুনতে পেয়েছেন। তাকে বলা হচ্ছে সেখান থেকে বের হয়ে যেতে। পরবর্তীতে সেই পরিবার এই বাসা ত্যাগ করেন। তখন থেকে এ স্থানের আশেপাশে কোন লোকারণ্য নেই।


৩. এডিনবরা কাসল।


স্কটল্যান্ডের রয়েল পরিবারের একটি বাড়ি হল এই এডিনবরা কাসল। যা প্রায় ২০০০ বছর আগে নির্মান করা হয়েছিল। বিভিন্ন যুদ্ধে বন্দীদের এখানে মৃত্যুদন্ড দেয়া হত। একে বিশ্বের সবচেয়ে পোড়ো জায়গা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। অসংখ্য কিংবদন্তী এই দুর্গের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এই দুর্গের ভেতর বিভিন্ন সুড়ঙ্গ রয়েছে। এমন একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে যেখানে মানুষ যাবার পর আর ফিরে আসে না।

একবার একজন ব্যক্তিকে এই সুড়ঙ্গের মাঝে একটি রসি দ্বারা পাঠানো হয়। কিন্তু সে অর্ধেক রাস্তা যাবার পর আর ফিরে আসতে পারে নি। অনেকেই বিশ্বাস করেন এর ভেতরে খারাপ কিছু রয়েছে যা মানুষকে মেরে ফেলে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে এখানে অনেকের ছায়া দেখা যায়।


৪. ইংল্যান্ড  টাওয়ার।


এটি এমন একটি স্থান যার পেছনে কিছু ভয়ানক ইতিহাস রয়েছে। এই টাওয়ারে বিভিন্ন সময়ে অনেক মানুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। যার ফলে এর আশেপাশে সবসময় তাদের আত্মার ঘুরাঘুরি লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে সালিসবারি কাউন্টেস, লেডি জেন গ্রে এবং অ্যান বলিয়েন এর আত্মা সেখানে বেশি ঘুরাঘুরি করে বলে জানা যায়।

এদের তিনজনকে আলাদা আলাদা তিন বছরে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলেও এদের ভয়ে স্থানীয় লোকজনেরা খুবই বিভ্রান্ত। লেডি জেন গ্রেকে সবসময় সাদা পোশাকে দেখা যায়, অ্যান বলিয়েন তার মাথার খুলি হাতে নিয়ে দাড়িয়ে থাকে। অনেক মানুষ এদেরকে দেখতে পেয়েছেন।

৫. হাইগেট সিমেট্রি।


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এখানে অনেক মানুষের কবর দেয়া হয়। এই স্থানের বিষয়ে বিভিন্ন ধরণের কুসংস্কার রয়েছে। রাত বাড়ার সাথে সাথে এখানে শুরু হয় বিভিন্ন ধরণের ভয়ানক কার্যকলাপ। রাতে এখানে বিভিন্ন আধ্যাত্মিক বস্তু দেখা যায়। কিছুক্ষণ দেখার পর তারা আবার অদৃশ্য হয়ে যায়।

Connect With Us !

G+ : https://goo.gl/iK4DEh
Facebook : https://goo.gl/OfSG29
Twitter : https://goo.gl/XbZ2C9

ধন্যবাদ ভিডিওটি দেখার জন্য ।

ভিডিও টি যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তাহলে LIKE করুন, SHARE করুন ও COMMENT করে জানান, এবং নতুন নতুন ভিডিও পেতে অবস্যই SUBSCRIBE - https://youtube.com/CreativeStories করতে কিন্তু ভুলবেন না।


রহস্যের সেই হ্রদ, যার কারণে বিজ্ঞানীদের মাথা আজও খারাপ | Mystery Of Lake Cheko And Mad Scientists

 রহস্যের সেই হ্রদ, যার কারণে বিজ্ঞানীদের মাথা আজও খারাপ | Mystery Of Lake Cheko And Mad Scientists



সাইবেরিয়ার তুঙ্গুস্কা অঞ্চলে চেকো নামের একটি হ্রদ আছে। হ্রদটা গোলাকার। আর হ্রদের পানি একেবারে স্বচ্ছ। সাইবেরিয়ার নীল আকাশের নিচে চেকো হ্রদটাও নীল হয়ে থাকে। ওই হ্রদই কয়েক দশক ধরে মাথা খারাপ করে রেখেছে বিজ্ঞানীদের। চেকো হ্রদের জন্মটা এখন পর্যন্ত রহস্যই রয়ে গেছে। কিভাবে তৈরি হয়েছে এই হ্রদটি?

বিজ্ঞানীরা চেকো হ্রদের উৎপত্তির কোনো কূল কিনারা এখনো বের করতে পারেননি। হ্রদের উৎপত্তি নিয়ে যত ধারণা এত দিন ছিল তাহল ১৯০৮ সালে ওই এলাকায় এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। যার মাত্রা ছিল হিরোশিমায় ফেলা বোমার ১৮৫টির সমান! আর ওই বিস্ফোরণের কারণেই উৎপত্তি হয় ওই হ্রদের।

সম্প্রতি রাশিয়ান গবেষকরা বলছেন, ওই হ্রদ টি ২৮০ বছরের পুরোনো। অর্থাৎ ওই এলাকায় সবচেয়ে বেশি বয়ষ্ক হচ্ছে ওই হ্রদ টি । রাশিয়ার গবেষকদের দাবি, সমসাময়িক সব ধারণাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে তাদেরকে । স্থানীয় বাসিন্দা ইভানকিদের ধারণা, ওগডি দেবতার কীর্তিতে ওই হ্রদের জন্ম হয়েছে!

চেকো হ্রদের উৎপত্তির ব্যাপারে সবচেয়ে প্রচলিত ধারণাকে বলা হয়, ‘তুঙ্গুস্কা ইভেন্ট’। সেখানেই বলা হয় বড় ধরনের বিস্ফোরণের কথা। ১৯০৮ সালে ঘটা ওই বিস্ফোরণের শব্দ এক ১২০০ কিলোমিটার দূরেও শোনা যায়। ব্রিটেনেও টের পাওয়া যায় ওই বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের কারনে ৮০০ কোটি গাছ মাটি থেকে উপড়ে যায়। বনাঞ্চল ছিল বলে কোনো মানুষ হতাহতের খবর সেখানে পাওয়া যায়নি। এইসব গাছের ছবিও আছে। বিস্ফোরণ যে হয় তা নিয়ে তথ্য প্রমাণাদিও আছে। স্থানীয় অনেক ব্যক্তি এ ব্যাপারে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথাও জানান।

সসার নিয়ে গবেষণাকারীরা দাবি করেন ভিন্ন কথা। তাঁদের দাবি, সেই সময় সসার থেকে কিছু ফেলা হয়েছিল পৃথিবীর মাটিতে। আর বলাই বাহুল্য যে কাজটি অবস্যই ভিনগ্রহের প্রানীদের। 

এবং মহাকাশ নিয়ে গবেষণা করেন যাঁরা, তাঁদের ধারণা অন্য। দীর্ঘসময় ধরে ওই গবেষকরা দাবি করেছেন, উল্কাপিণ্ড এসে আঘাত করে ওই এলাকায়। আর এতেই তৈরি হয় গভীর গর্তের। চেকোর জন্ম ওখানেই। ওই দলেরই অনেকে দাবি করেছেন ধূমকেতুর কারণেও তা হতে পারে।

ইতালিয়ান গবেষকরা দীর্ঘ সময় পার করেছেন চেকো হ্রদ নিয়ে। তাঁদের দাবি, চেকোর তলদেশে আগ্নেয়গিরি থাকতে পারে। যার কার্যকারিতা এখন নেই তবে এর প্রভাবেই জন্ম হতে পারে চেকোর। অন্যদিকে তাঁদেরই ধারণা, ভূমিকম্পের কারণে বিশাল গোলাগার গর্ত হয়। আর ওই থেকেই জন্ম হয় চেকোর।

সম্প্রতি রাশিয়ার গবেষকদের দাবি সবকিছুকেই উল্টে দিচ্ছে। গবেষকরা বেশ আত্মবিশ্বাসী হয়ে জানিয়েছেন, চেকো ২৮০ বছরের পুরোনো। আর বিষয়টি প্রমাণে কাজও করে যাচ্ছেন তাঁরা। যদি তাই হয় তবে বলা যাবে চেকো নিয়েরহস্যের কিনারা মিলেছে!

Connect With Us !

G+ : https://goo.gl/iK4DEh
Facebook : https://goo.gl/OfSG29
Twitter : https://goo.gl/XbZ2C9

ধন্যবাদ ভিডিওটি দেখার জন্য ।

ভিডিও টি যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তাহলে LIKE করুন, SHARE করুন ও COMMENT করে জানান, এবং নতুন নতুন ভিডিও পেতে অবস্যই SUBSCRIBE - https://youtube.com/CreativeStories করতে কিন্তু ভুলবেন না।

এলিয়েনরা যে পৃথিবীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছে তার নতুন সূত্র | Aliens Trying To Communicate

 এলিয়েনরা যে পৃথিবীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছে তার নতুন সূত্র | Aliens Trying To Communicate



পৃথিবীর বাইরের অন্যান্য গ্রহের অর্থাৎ ভিন গ্রহের প্রাণীদের বলা হয়ে থাকে, এলিয়েন। বাস্তবে এখন পর্যন্ত ভিন গ্রহের প্রাণী বা এলিয়েনের দেখা পাওয়া না গেলেও, ধারণা করা হয় অ্যালিয়েন রয়েছে।

সেই ধারণা এবার আরো জোড়ালো করল মহাকাশ থেকে আগত বেশ কিছু রেডিও সংকেত। তাহলে কি সত্যিই এলিয়েনের অস্তিত্ব রয়েছে?
গবেষকরা সম্প্রতি তিন বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূর থেকে আগত ছয়টি রেডিও সংকেত পেয়েছেন। যদিও এই সংকেতগুলো এসেছে অনেক অনেক দূর থেকে, কিন্তু সেখান থেকেই কি ভিন গ্রহের প্রাণীরা এসব সংকেতের মাধ্যমে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে গবেষকদের মনে।

ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার মন্ট্রিলের ম্যাক গ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক গ্রিন ব্যাংক টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই বেতার তরঙ্গগুলো শণাক্ত করেন। এসব বেতার তরঙ্গ মাত্র কয়েক মিলি সেকেন্ড স্থায়ী ছিল।

এসব তরঙ্গের উৎপত্তিস্থলটা যদিও অজানা কিন্তু অনেকেই মনে করছেন, এর মাধ্যমে এলিয়েনরা পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে।
পল স্কল্জ এর নেতৃত্বে গবেষকরা ‘দ্য অ্যাস্ট্রো ফিজিক্যাল জার্নাল’ এ প্রকাশিত তাদের রিসার্চ পেপারে বলেন, ‘আমরা ছয়টি সিগন্যাল এর মধ্যে 5 গ্রিন ব্যাংক টেলিস্কোপ  দিয়ে শণাক্ত করেছি এবং অন্যটি শণাক্ত করি আরেসিবো অবজারভেটরি দিয়ে ।  এ পর্যন্ত এটা দিয়ে মোট ১৭টি সংকেত পাওয়া গেল পৃথিবীতে। যার আগের ১১টিও ওই একই লোকেশন থেকে শণাক্ত করা হয়েছিল। ওই স্থানের সাংকেতিক নাম F R B ১২১১০২।

এই সংকেতগুলোকে বিজ্ঞানীরা F R B বা ফাস্ট রেডিও বার্স্টস বলে অভিহিত করেন। যদিও এই সংকেতের নির্দিষ্ট উৎপত্তিস্থল নিয়ে বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত নন। গবেষকরা বলেন, পরিচিত নমুনা FRB ১২১১০২ বর্তমানে একটি অনন্য বিষয়। বহির্জাগতিক FRB সংকেতগুলোর চরিত্রায়ন বোঝার জন্য ফাস্ট এক্সট্রাগ্যালাটিক রেডিও ট্রানসিয়েন্ট বোঝা প্রয়োজন।

পূর্বে যখন ১১টি সংকেত পাওয়া গিয়েছিল তখন জ্যোতির্বিদগণ আরো নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য SETI বা সার্চ ফর এক্সট্রা টেরেস্ট্রিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর সাহায্য চেয়েছিল । কিন্ত ম্যাক গ্রিলের গবেষকরা সাহায্য চাইবেন কিনা এটা এখনো পরিষ্কার না ।

এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে কি?
আমাদের থেকে কোনো বুদ্ধিমান প্রাণী কি আদৌ আছে, এটা নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। এ ব্যাপারে স্টিফেন হকিং বলেন, আমরা একটি ভয়ংকর খেলায় মেতে উঠেছি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে। এই পদার্থবিদ মনে করেন, যদি এলিয়েনরা পৃথিবী সম্পর্কে জানতে পারে বা আবিষ্কার করতে পারে তবে তারা এটাকে দখল করতে চাইবে এবং এখানে তাদের উপনিবেশ স্থাপন করতে চাইবে।

Connect With Us !

G+ : https://goo.gl/iK4DEh
Facebook : https://goo.gl/OfSG29
Twitter : https://goo.gl/XbZ2C9

ধন্যবাদ ভিডিওটি দেখার জন্য ।

ভিডিও টি যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তাহলে LIKE করুন, SHARE করুন ও COMMENT করে জানান, এবং নতুন নতুন ভিডিও পেতে অবস্যই SUBSCRIBE - https://youtube.com/CreativeStories করতে কিন্তু ভুলবেন না।

রাজস্থানের ভয়ংকর অভিশপ্ত শহর | Rajasthan Terrible Cursed City

 রাজস্থানের ভয়ংকর অভিশপ্ত শহর | Rajasthan Terrible Cursed City



ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির এক দর্শনীয় স্থান ভারতের রাজস্থান। প্রতিবছর পুরো পৃথিবী থেকে অজস্র পর্যটক বেড়াতে যান রাজস্থানে। আপনারও যদি কখনো যাওয়ার সুযোগ মেলে, সুযোগ হাত ছাড়া করবেন না। শুধু রাজস্থানের বিখ্যাত জয়সলমীর শহর থেকে খানেক দূরের এক পরিত্যক্ত ছোট্ট শহরে ভুলেও যাবেন না! অভিশপ্ত ওই শহরে গিয়ে প্রাণ নিয়ে ফিরতে পারেনি কেউ! বোরড পান্ডা ওয়েবসাইটে জানা গেল এই রহস্যময় শহরের কথা। এর নাম কুলধারা।

জয়সলমীর থেকে বেশি একটা দূরে নয় কুলধারা শহরটি। মোটে ১৫-১৭ কিলোমিটার এগোলেই হদিস মিলবে এই শহরের। এখন সেখানে কেউ থাকে না। থাকবার কথাও নয়। বিশ্বাস করা হয়, অভিশপ্ত এ শহরে গেলে কেউই প্রাণ নিয়ে ফিরতে পারবে না।

প্রায় ৩০০ বছর আগে এই শহরের গোড়াপত্তন করেছিল পালিওয়াল ব্রাহ্মণরা। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিচক্ষণতা ও দক্ষতার কারণে তারা বেশ সুনাম অর্জন করেছিল, পার্শ্ববর্তী আরো ৮৪টি গ্রামেও দারুণভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল কুলধারার এই খ্যাতি। সুখেই কাটছিল কুলধারার মানুষদের জীবন। কিন্তু এরই মধ্যে একদিন ঘনিয়ে আসে ঘোর দুর্যোগ।

স্থানীয় পরিষদের এক সদস্যের কারণে গ্রামবাসী একদিন বিপদে পড়ে। গ্রামের প্রধানের মেয়েটির দিকে তার নজর পড়ে। সে গ্রামবাসীকে বলে মেয়েটিকে তার হাতে তুলে দিতে, না হলে তাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হবে বলে হুমকি দেয়। গ্রামবাসী এমন পরিস্থিতিতে একদিন রাতে নিজেরা দেখা করে। এ অবস্থায় তারা নিজেদের আত্মসম্মানকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ওই রাতেই গ্রাম ছেড়ে চলে যায় চিরকালের জন্য। তবে যাওয়ার আগে কুলধারা গ্রামের মাটিকে গ্রামবাসীর প্রত্যেকে অভিশাপ দিয়ে যায়।

সেদিনের পর থেকে, কুলধারাতে কেউই নতুন করে আবাসস্থল গড়ে তুলতে পারেনি। কেউ দখলও করতে পারেনি কোনো জায়গা। যারাই চেষ্টা করেছে, তাদেরই ভাগ্যে নেমে এসেছে নির্মম মৃত্যু। সে কারণে মনে করা হয় যে গ্রামবাসীর অভিশাপ এখনো কার্যকর এই পরিত্যক্ত রহস্যময় নগরীতে। ভারতীয় সরকার এটিকে ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।

নেহায়েত ভূতুড়ে গল্প হোক আর যাই হোক, রাজস্থান গেলে কুলধারার দিকে না যাওয়াটাই ভালো!

Connect With Us !

G+ : https://goo.gl/iK4DEh
Facebook : https://goo.gl/OfSG29
Twitter : https://goo.gl/XbZ2C9

ধন্যবাদ ভিডিওটি দেখার জন্য ।

ভিডিও টি যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তাহলে LIKE করুন, SHARE করুন ও COMMENT করে জানান, এবং নতুন নতুন ভিডিও পেতে অবস্যই SUBSCRIBE - https://youtube.com/CreativeStories করতে কিন্তু ভুলবেন না।

আপনি কি বিশ্বের সবথেকে পুরনো বড়শীটি দেখেছেন ? না দেখে থাকলে দেখুন | Worlds Most Oldest Fish Hook

 আপনি কি বিশ্বের সবথেকে পুরনো বড়শীটি দেখেছেন ? না দেখে থাকলে দেখুন | Worlds Most Oldest Fish Hook



বিশ্বের সবথেকে পুরনো বড়শির সন্ধান পেলেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা। জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপের একটি গুহায় মাছ ধরার এই বড়শিটি পাওয়া গেছে।মনে করা হচ্ছে, জোড়া বড়শিটি প্রায় ২৩ হাজার বছরের পুরনো! সামুদ্রিক শামুকের খোল কেটে এই বড়শি বানানো হয়েছিল। তাঁরা মনে করছেন যে, এই দ্বীপে প্রায় ৩০,০০০ বছর আগে মানুষের বসবাস শুরু হয়েছিল।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানব সভ্যতার শুরুর দিকে মৎস্য শিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিলো। তবে এই মাছ ধরার প্রযুক্তি কেমন ছিল সেই বিষয়ে খুব বেশি জানা যায়নি। গোটা পৃথিবীতে শুধুমাত্র ইন্দোনেশিয়া এবং পাপুয়া নিউ গিনির কোথাও কোথাও এই সংক্রান্ত কিছু তথ্য এবং প্রমাণ পাওয়া যায়। এর আগেও এরকম প্রাচীন বড়শি পাওয়া গিয়েছিলো টিমোরে। সেটা ছিল  ১৬ হাজার বছর পুরনো। আর পাপুয়া নিউ গিনিতে যেটা পাওয়া গিয়েছিলো সেটা ছিল ১৮ হাজার বছরের পুরনো।
ওই গুহায় বড়শি ছাড়াও প্রাচীন আরও বেশ কিছু যন্ত্রপাতি পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, নির্দিষ্ট কিছু মৌসুমে লোকজন এসব গুহায় যেত। ওই সময় সেখানে বিশেষ প্রজাতির সুস্বাদু কাঁকড়া পাওয়া যেত বলে মনে করা হচ্ছে।

Connect With Us !

G+ : https://goo.gl/iK4DEh
Facebook : https://goo.gl/OfSG29
Twitter : https://goo.gl/XbZ2C9

ধন্যবাদ ভিডিওটি দেখার জন্য ।

ভিডিও টি যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তাহলে LIKE করুন, SHARE করুন ও COMMENT করে জানান, এবং নতুন নতুন ভিডিও পেতে অবস্যই SUBSCRIBE - https://youtube.com/CreativeStories করতে কিন্তু ভুলবেন না।

পাওয়া গেল বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেল এর নতুন রহস্য | A New Solution Of Bermuda Triangle Mystery

 পাওয়া গেল বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেল এর নতুন রহস্য | A New Solution Of Bermuda Triangle Mystery



অবশেষে কি সমাধান হল বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেলের রহস্যের? বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেল নিয়ে তৈরি নানা মিথের সদুত্তর কি এ বার পাওয়া যাবে? এই সব প্রশ্নের নয়া সমাধান দিচ্ছেন এক দল বিজ্ঞানী। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিম অংশের ত্রিকোণাকৃতি জায়াগায় বিভিন্ন সময় উধাও হয়ে গিয়েছে জাহাজ থেকে বিমান।

"ডেভিলস ট্র্যাঙ্গল" নিয়ে নিরন্তর গবেষণা করেও ‘কেন’র উত্তর পাওয়া যায়নি। যদিও এই রহস্য নিয়ে চলেছে বিস্তর আলোচনা। নানা ব্যাখ্যা। পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি। সেই রকমই আরও একটি নতুন ব্যাখ্যা সংযোজন করলেন বিখ্যাত আবহাওয়া বিদ র্যা ন্ডি কারভ্যানি-সহ বেশ কিছু বিজ্ঞানী। তাঁদের দাবি, বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেলের রহস্যের পিছনে রয়েছে এক রকম ষড়ভুজাকৃতি মেঘ ( হেক্সাগোনাল ক্লাউড )।

উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বারমুডা দ্বীপে ২০ থেকে ৫৫ মাইল জুড়ে ষড়ভুজাকৃতি মেঘ তৈরি করে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বায়ু। যার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭০ মাইল। এই উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বায়ুকে বলা হয় ‘এয়ার বম্ব’। এই বায়ু প্রায় ৪৫ ফুট উচ্চতার ঝড় তৈরি করতে পারে। যার ফলে বারমুডা ট্রায়্যাঙ্গেল দিয়ে যাওয়া জাহাজ বা প্লেন উধাও হয়ে যায়। কিন্তু উধাও হয়ে কোথায় তার শেষ ঠিকানা হয় সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা স্পষ্ট নন। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও জাহাজ বা বিমান এই এলাকা দিয়ে যায় না।

Connect With Us !

G+ : https://goo.gl/iK4DEh
Facebook : https://goo.gl/OfSG29
Twitter : https://goo.gl/XbZ2C9

ধন্যবাদ ভিডিওটি দেখার জন্য ।

ভিডিও টি যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তাহলে LIKE করুন, SHARE করুন ও COMMENT করে জানান, এবং নতুন নতুন ভিডিও পেতে অবস্যই SUBSCRIBE - https://youtube.com/CreativeStories করতে কিন্তু ভুলবেন না।